• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৬ দুপুর

আকবর আলি খান: বাজেটে আয়-ব্যয়ের যে সংখ্যা বলা হচ্ছে, তা অর্জন হবে না

  • প্রকাশিত ১০:৩৮ রাত জুন ১৪, ২০১৯
আকবর আলি খান
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড.আকবর আলি খান। ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

‘দারিদ্র্য বিমোচনের বার্ষিক গড় হার কমে আসছে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা থেকে কীভাবে উত্তরণ হবে, তার কোনো ঘোষণা নেই বাজেটে। আবার আঞ্চলিক বৈষম্যও প্রকট। অনেক জেলায় ৫০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। এ বৈষম্য দূর করতে কোনো উদ্যোগ বাজেটে নেই।’

গত কয়েক বছর ধরে অবাস্তব সংখ্যার বাজেট পাস করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড.আকবর আলি খান। 

১৪ জুন, শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাক বিজনেস স্কুল আয়োজিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। খবর বাংলা ট্রিবিউনের। 

আকবর আলি খান বলেন, “বাজেটে আয়-ব্যয়ের যে সংখ্যা বলা হচ্ছে, তা অর্জন হবে না। আর সমস্যা হলো, এই সংখ্যাগুলো কতটা বাস্তব? বাজেট যখন সংসদে পেশ হবে, তখন সংখ্যাগুলো বাস্তব হওয়া উচিত।”

তিনি আরো বলেন, “বাজেটের কার প্রতিবছর বাড়ছে। সক্ষমতার ঘাটতির মাত্রা বাড়ছে। বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে উঠছে।’

আগামী অর্থবছরেও এ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে বলে উল্লেখ করেছেন আকবর আলি খান। তিনি বলেন, “দারিদ্র্য বিমোচনের বার্ষিক গড় হার কমে আসছে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা থেকে কীভাবে উত্তরণ হবে, তার কোনো ঘোষণা নেই বাজেটে। আবার আঞ্চলিক বৈষম্যও প্রকট। অনেক জেলায় ৫০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। এ বৈষম্য দূর করতে কোনো উদ্যোগ বাজেটে নেই।”

বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের মতামত নেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে আকবর আলি খান আরো বলেন, “কর আরোপ ও খরচ কোনো কিছুতেই প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে না। যদিও আমাদের সংবিধানে বলা হয়েছে, প্রতিনিধির মতামত ছাড়া কোনো কর আরোপ করা যাবে না।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন,  “বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ হলো সমতাভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।” এই বাজেটে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তরা চাপে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাজেট প্রতিক্রিয়া অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।