• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩১ রাত

অর্থমন্ত্রী: ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ আর ঋণ নেবেনা, দেবে

  • প্রকাশিত ০৯:০৫ রাত জুন ২৯, ২০১৯
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি

'এবারের বাজেট কাগজ-পত্রে আগামী অর্থ বছরের জন্য হলেও এটা এমনভাবে তৈরী হয়েছে যে, এর ধারবাহিকতা ২০৪১ সাল পর্যন্ত বজায় থাকবে'

২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। শনিবার জাতীয় সংসদ ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশে ঋণ গ্রহণের শতকরা হার ৩৪ ভাগের কম। চীনে ঋণের পরিমান শতকরা ২৮৫ ভাগ। তবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ আর ঋণ গ্রহণ করবে না, ঋণ দেবে"।

বাজেট সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, "এবারের বাজেট কাগজ-পত্রে আগামী অর্থ বছরের জন্য হলেও এটা এমনভাবে তৈরী হয়েছে যে, এর ধারবাহিকতা ২০৪১ সাল পর্যন্ত বজায় থাকবে"।

"এ বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ১০ শতাংশ স্থির করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সাল নাগাদ প্রবৃদ্ধি দুই অংকে (ডাবল ডিজিট) উন্নীত হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে", যোগ করেন তিনি।

মুস্তফা কামাল এই বাজেটের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, "প্রস্তাবিত বাজোট বিশেষ দিক থেকে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ি এ বাজেট প্রণনয়ন করা হয়েছে। বাজেটে এবার নতুন নতুন উপাদান সংযোজন করা হয়েছে। বিশেষ করে এবারই প্রথম বাজেটে কোন কর না বাড়িয়ে করের আওতা সম্প্রারণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।"

এসময় তার অসুস্থতার কারণে তার হয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাজেট উত্থাপন করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান অর্থমন্ত্রী।