• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

জমে উঠেছে ঝালকাঠির ভাসমান হাট পেয়ারার হাট

  • প্রকাশিত ০৭:২৫ রাত জুলাই ৩১, ২০১৯
ঝালকাঠি
ঝালকাঠির ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারার হাট। ছবি: ইউএনবি

প্রতিদিন পেয়ারা চাষীরা খুব ভোরে পেয়ারা বাগান থেকে ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকায় করে ৩-১০ মন করে পেয়ারা এই হাটে এনে নৌকায় বসেই বিক্রি করেন।

জমে উঠেছে ঝালকাঠি জেলার ব্রান্ডিং পণ্য পেয়ারার ভাসমান হাট।

প্রতিদিন পেয়ারার বিপণন ও বিক্রির জন্য ভীমরুলীর ভাসমান বাজারে পেয়ারা চাষী ও পাইকারদের ভিড় জমে ওঠে।

এখন মধ্য শ্রাবণ। ঝালকাঠির ব্রান্ডিং পণ্য পেয়ারার ভরা মৌসুম। ঝালকাঠির ১২টি গ্রামের ১০০০ হেক্টর জুড়ে এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকারী ফসল হিসেবে শতবর্ষজুড়ে পেয়ারা চাষ হচ্ছে।

প্রতিদিন পেয়ারা চাষীরা খুব ভোরে পেয়ারা বাগান থেকে ছোটছোট ডিঙ্গি নৌকায় করে ৩-১০ মন করে পেয়ারা এই হাটে এনে নৌকায় বসেই বিক্রি করেন।

স্থানীয় ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিশেষ করে চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, নোয়াখালী থেকে আসা বেপারীরা নৌকা থেকেই পেয়ারা কিনে ট্রলার অথবা ট্রাকে করে তাদের গন্তব্যে নিয়ে যান।

দুপুরের মধ্যেই ভরপুর ভাসমান হাট শূন্য হয়ে যায়। এই অঞ্চলে মুকুন্দপুরী, লতা ও পুর্নমণ্ডল জাতের পেয়ারা উৎপাদন হয়। এই পেয়ারা খেতে মিষ্টি ও অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

এবছর বৃষ্টির কারণে পেয়ারা বাজারে আসতে ১৫ দিন সময় বেশি লেগেছে।

আবহমানকালধরে এ অঞ্চলে মাটি কেটে কান্দি বানিয়ে স্বজন পদ্ধতিতে পেয়ারার চাষ হয়ে আসছে।

এবছর পেয়ারার বাজার দর মন (৪০ কেজি) প্রতি ৩০০-৪০০ টাকা। দাম ভালো পেয়ে পেয়ারা চাষীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যান্য বছরের মতো এবার পেয়ারার গায়ে সিট পরা রোগ না থাকায় বাজার দর ভালো রয়েছে।