• মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২০ রাত

সরবরাহ বাড়াতে চার দেশ থেকে আমদানি হচ্ছে পেঁয়াজ

  • প্রকাশিত ১০:১৮ রাত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
পেঁয়াজ
ফাইল ছবি। মেহেদী হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন

মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। পাশাপাশি মিশর ও তুরস্ক থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে

সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের পেঁয়াজ দেশের বাজারে ঢোকা শুরু করেছে। অন্যদিকে তুরস্ক ও মিশর থেকে আনার জন্য এলসি খোলা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে এসব দেশের পেঁয়াজ দেশের বাজারে প্রবেশ করবে। 

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের আমদানিকারক ও পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাজার দর সংক্রান্ত বিষয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে এসব কথা বলেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পেঁয়াজের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান সচিব। তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানি ও বাজারজাত সহজ ও দ্রুত করতে সরকার ইতোমধ্যে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে এবং তদারকি জোরদার করেছে।  প্রতিবেশী ভারত প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইজ (এমইপি) ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৮৫২ ডলার নির্ধারণ করার কারণে বাংলাদেশে পেঁয়াজের আমদানি মূল্য বেড়ে গেছে। এ কারণে সরকারের আহ্বানে ব্যবসায়ীরা এখন মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করছে। প্রতিদিন আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বাজারগুলোতেও দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি মিশর ও তুরস্ক থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে, কিছুদিনের মধ্যে এগুলো বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে। ভারত থেকেও নতুন পেঁয়াজ শীঘ্রই বাজারে আসছে।

তিনি বলেন, দেশে পেঁয়াজের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনও বাজারেই পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। তাই ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, মূল্য দ্রুত কমে আসছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব শাখাওয়াত হোসেন, টিসিবি’র চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, ট্যারিফ কমিশনের সদস্য আবু রায়হান আল-বেরুনী, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. ইদ্রিস, ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং মো. মিজানুর রহমান, শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক হাজি মো. মাজেদ, মো. হাবিবুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র রায়, উত্তম কুমার সাহা, মো. আব্দুল মান্নানসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।