• শনিবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩২ রাত

বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হচ্ছে এটিএম শামসুজ্জামানকে

  • প্রকাশিত ০৮:১৯ রাত জুন ১৪, ২০১৯
এটিএম শামসুজ্জামান
ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছেন বরেণ্য এই অভিনেতা।

গত ২৬ এপ্রিল থেকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। ১৫ জুন সেখান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ওইদিনই তাকে ভর্তি করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে। 

এটিএম শামসুজ্জামানের মেজো মেয়ে কোয়েলের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বাংলা ট্রিবিউন।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে তিনি বলেন, বাবা এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে আগামীকাল (১৫ জুন) আজগর আলী থেকে রিলিজ নিয়ে বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি করানো হবে তাকে।

কারণ হিসেবে তিনি জানান, এটিএম শামসুজ্জামানকে নার্সিং সেবা দেওয়ার পাশাপাশি টেস্ট ফিজিওথেরাপিও দিতে হবে এখন। এজন্য তাকে কয়েকদিন বিএসএমএমইউ-তে রাখতে হবে।

গত ১৩ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এটিএম শামসুজ্জামানের চিকিৎসার সব ধরনের দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অভিনেতার চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়।

দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছেন এটিএম শামসুজ্জামান। কিংবদন্তি এ অভিনেতাকে ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই হাসপাতালে ২৭ এপ্রিল এই অভিনেতার শরীরে অস্ত্রোপচার হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে ৩০ এপ্রিল দুপুরে তাকে লাইফ সাপোর্টও দেওয়া হয়।

অস্ত্রোপচারের কারণ প্রসঙ্গে অভিনেতার ছেলের স্ত্রী রুবি জামান তখন বলেছিলেন, দীর্ঘদিন উনার (এটিএম শামসুজ্জামান) পেটে খাবার জমা হয়ে শক্ত হয়ে যেত। চিকিৎসকরা বিষয়টি প্রথম দিকে ধরতে পারেননি। ২৬ এপ্রিল রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা অসুস্থতার কারণটি ধরতে পারেন। তাই অস্ত্রোপচার করে এগুলো বের করা হয়েছে।

এরপর ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। এটিএম শামসুজ্জামানের মেয়ে কোয়েল আহমেদ জানান, সে সময় নিউমোনিয়ায়ও আক্রান্ত হন এ অভিনেতা।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথমদিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আজও তিনি দর্শকের কাছে নন্দিত।