• মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৩ দুপুর

পদ্মা সেতুতে কাটা মাথার গুজব, বিএনপিকর্মী গ্রেফতার

  • প্রকাশিত ০৫:২৫ সন্ধ্যা জুলাই ২৭, ২০১৯
গ্রেফতার
'পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের কাটা মাথা লাগবে' এমন গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বিএনপিকর্মী আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। ঢাকা ট্রিবিউন

ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে 'পদ্মা সেতু নির্মাণে কাটা মাথা লাগবে' বলে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি 

টাঙ্গাইলে 'পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের কাটা মাথা লাগবে' এমন গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বিএনপি'র এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের এক  প্রেস ব্রিফিংয়ে এতথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) সঞ্জিত কুমার রায়।

শুক্রবার (২৭ জুলাই) রাতে ভূঞাপুর উপজেলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসব কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন ও ১টি কম্পিউটারও এসময় উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।

গ্রেফতার আব্দুর রহমান (২৩) একই উপজেলার পলশিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিএনপি কর্মী বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ভুয়া একটি আইডি'র মাধ্যমে 'পদ্মা সেতু নির্মাণে কাটা মাথা লাগবে' বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লেখেন, "পদ্মা সেতু নির্মাণে বাধার সৃষ্টি হওয়ায় ১ লাখ বা তারও অধিক মানুষের মাথা প্রয়োজন। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ চালিয়ে যেতে তাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা বাংলাদেশ জুড়ে ৪২টি দল বের হয়েছে এই মাথা সংগ্রহ করার জন্য। এরা পথেঘাটে, খেলার মাঠে, হাট-বাজারে ঘুরে বেড়ায়। এদের কাছে আছে ধারালো ছুরি এবং বিষাক্ত গ্যাস যা ১০/১৫ হাত দূর থেকে স্প্রে করলেই মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়। তখন তারা মাথা কেটে নিয়ে যায়। তাদের লক্ষ্য মাথা কাটা। ইতোমধ্যে খুলনায় অনেক মাথা কেটে নেওয়া হয়েছে তাই সাবধান থাকবেন, বাসার সবাইকে সতর্ক করে দিবেন এবং বাসায় কোন ভিক্ষুক আসলে সাবধানে থাকবেন।  অপরিচিত কেউ আসলে দরজা খুলবেন না।"

এপ্রসঙ্গে এসপি সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, "গ্রেফতারকৃত যুবক তার নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে ভুয়া ফেসবুক আইডি, পেইজ ও গ্রুপ খুলে ‘পদ্মা সেতু নির্মানে মানুষের মাথা লাগবে’ এমন একটি পোস্ট দেয়। যা পরবর্তিতে একাধিক শেয়ার হয়। এতে জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এব্যাপারে শনিবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।"