• মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৪ রাত

কেরালায় ২২ হাজার বন্যার্তকে উদ্ধার

  • প্রকাশিত ১১:৫০ সকাল আগস্ট ২০, ২০১৮
kerala
বৃষ্টি কমার কারণে উদ্ধারকাজে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি- বিবিসি

জুনে বর্ষাকাল শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সাড়ে তিনশ ছাড়িয়ে গেছে, শুধু ৮ অগাস্ট থেকে ১৯ অগাস্টের মধ্যেই অন্তত ১৬৪ জন মারা গেছেন বলে খবর এনডিটিভির। এদের অধিকাংশই ভূমিধসে নিহত হয়েছেন।

ভারতে কেরালা থেকে প্রায় ২২ হাজার বন্যার্তকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।  বৃষ্টিপাত কমে আসায় রবিবার উদ্ধারকাজের গতি বৃদ্ধি পায়।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামরিক বাহিনীর টিমগুলোর পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ও স্থানীয় জেলেরা বন্যার কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টারের সাহায্যে অতি দরকারি উপদানগুলো সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।

জুনে বর্ষাকাল শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সাড়ে তিনশ ছাড়িয়ে গেছে, শুধু ৮ অগাস্ট থেকে ১৯ অগাস্টের মধ্যেই অন্তত ১৬৪ জন মারা গেছেন বলে খবর এনডিটিভির। এদের অধিকাংশই ভূমিধসে নিহত হয়েছেন।

৫ হাজার ৬৪৫টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া লোকের সংখ্যা বর্তমানে ৭,২৫,০০০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তারপরও রোববার ‘বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া শেষ ব্যক্তিকে পর্যন্ত’ উদ্ধারের প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে রাজ্যটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের প্রধান অনিল বাসুদেভান জানিয়েছেন,অস্থায়ী ত্রাণশিবিরগুলোতে বায়ু ও পানিবাহিত রোগের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

কর্তৃপক্ষগুলো ইতোমধ্যেই আলুভার একটি ত্রাণশিবির থেকে জলবসন্তে আক্রান্ত তিন ব্যক্তিকে সরিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার উদ্ধারের সব উদ্যোগ মূলত চেনগান্নুর শহর, আলাপুঝা ও এর্নাকুলাম জেলাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছিল। চেনগান্নুরে প্রায় পাঁচ হাজার লোক আটকা পড়েছেন এমন খবর পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।

এর আগে টেলিভিশনে চেনগান্নুরের সংকটের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে স্থানীয় রাজনীতিক সাজি চেরিয়ান কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

“অনুগ্রহ করে আমাদের একটি হেলিকপ্টার দিন। আমি আপনাদের কাছে ভিক্ষা চাইছি। প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন, আমার এলাকার লোকগুলো মরে যাবে।"

তিনি বলেন, “প্লিজ আমাদের সাহায্য করুন। অন্য আর কোনো উপায় নাই, লোকজনকে হেলিকপ্টারে করেই সরাতে হবে”।

শনিবার হেলিকপ্টারে করে রাজ্যটির বন্যাপরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করে অতি দ্রুত রাজ্যটির জন্য পাঁচশ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।