• মঙ্গলবার, মে ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩০ সকাল

আজ বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন পবিত্র হজ

  • প্রকাশিত ১২:৪৫ দুপুর আগস্ট ২০, ২০১৮
Kaaba Sharif
কাবা শরীফ। ছবি: রয়টার্স

আজ হিজরী সনের জিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ। নিয়মানুসারে আজ ফজর থেকে মিনায় নামাজ আদায় করছেন হাজিরা। আজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মিনায় আদায় করে কাল আরাফাতের উদ্দেশ্যে রওনা করবেন তাঁরা। এবছর প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ হজ পালন করছেন।

রাতে হাজিরা মিনায় অবস্থান করেছিলেন। আজ সোমবার ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। সেখান থেকে আগামীকাল (২১ আগস্ট) হাজিরা ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত আরাফাতের ময়দানের দিকে রওনা হবেন। সক্ষমতা থাকলে মুসল্লিরা পায়ে হেঁটেই এই ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন। তবে শারিরীক সমস্যা থাকলে অনেকেই হুইল চেয়ার বা বাসে করেও যেতে পারেন। সবার শরীর সাদা কাপড় আর কন্ঠে ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ রব তুলে এগিয়ে যাবে আরাফাতের ময়দান।

এরপর আরাফাতের ময়দান থেকে মুসল্লিরা বাদ আছর রওনা দেবেন মুজদালিফার দিকে। সেখানেই মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন হাজিরা। মুজদালিফাতে প্রথা মাফিক খোলা আকাশের নিচে সে রাত্রি যাপন করবেন তারা। মুজদালিফার প্রান্তর থেকে শয়তানকে (প্রতীকী) নিক্ষেপের উদ্দেশ্যে পাথর সংগ্রহ করবেন।

এরপর মুজদালিফা থেকে মঙ্গলবার বাংলাদেশ হিসেবে ২১ আগস্ট ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা আবার ফিরে আসবেন মিনায়। পরদিন বুধবার ২২ আগস্ট সকালে জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ও পশু কোরবানির পর পুরুষরা মাথা মুণ্ডন করে ইহরাম ত্যাগ করবেন। তবে বর্তমানে সরাসরি কোরবানির বদলে কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দীষ্ট অর্থ প্রদান করতে হয়। এরপর পবিত্র কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ করে হজের পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন হাজিরা।

হাজিদের সুষ্ঠুভাবে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরবের সরকার। হজ ব্যবস্থাপনা তদারকির দায়িত্বে আছেন বাদশাহ সালমানের উপদেষ্টা প্রিন্স খালিদ আল-ফয়সাল।

হজের নিরাপত্তা প্রধান জানিয়েছেন, এবার হজযাত্রীদের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তবে হাজিদের চূড়ান্ত সংখ্যা মঙ্গলবার ঈদুল আজহার দিন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল মনসুর আল-তুর্কি।

বাংলাদেশ থেকে এবছর ১ লাখ ২৬ জন হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাত্রা করেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অফিস ঢাকার পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের বাংলাদেশ মিশনসহ প্রায় ২৫০ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা হজ পালনের সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোতায়েন থাকবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বেশিরভাগ কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই সৌদি আরব গিয়েছেন বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সহযোগিতা ও জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য।