• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৫ দুপুর

সেই সৌদি তরুণীকে ‘শরণার্থী’ স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ

  • প্রকাশিত ০৪:১৬ বিকেল জানুয়ারী ৯, ২০১৯
রাহাফ
রাহাফ আল কুন। ছবি: সংগৃহীত

পরিবার থেকে পালিয়ে কুয়েত থেকে থাইল্যান্ড হয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি

পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রাণ হারানোর আতঙ্কে পালাতে গিয়ে থাইল্যান্ডের বিমানবন্দরে আটকা পড়া সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মেদ আল-কুনকে শরণার্থীর স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। সোমবার (০৭ জানুয়ারি) তাকে জোর করে কুয়েতে পাঠানোর চেষ্টা করে থাই কর্তৃপক্ষ। তখন নিজেকে বিমানবন্দরের এক হোটেলকক্ষে আটকে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেরত না পাঠানোর আবেদন জানালে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

বিবিসি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, রাহাফকে বৈধ শরণার্থীর স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ।

প্রসঙ্গত, পরিবার থেকে পালিয়ে কুয়েত থেকে থাইল্যান্ড হয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন রাহাফ। 

ওই সৌদি তরুণীর দাবি, ব্যাংকক বিমানবন্দরে এক সৌদি কূটনীতিক তার সঙ্গে দেখা করে পাসপোর্ট জব্দ করায় অস্ট্রেলিয়া যেতে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তীতে তাকে জোর করে কুয়েত পাঠানোর চেষ্টা করা হলে তিনি নিজেকে হোটেল কক্ষে আটকে ফেলেন।

তবে মঙ্গলবার (০৮ জানুয়ারি) তার পাসপোর্টটি ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহাফ।

আরও পড়ুন- অস্ট্রেলিয়া পালাতে চান সৌদি তরুণী, থাই বিমানবন্দরে নাটকীয়তা 

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, রাহাফের দায়ভার অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যত শিগগির সম্ভব, অস্ট্রেলিয়ায় কুনুনের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে অন্য সব ঘটনার মতই এই ঘটনাটি সামলানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনএইচসিআর-এর থাই কার্যালয়ও কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

তার বাবা ও ভাই তাকে ফিরিয়ে নিতে ব্যাংকক গেলে তাদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন রাহাফ। থাই অভিবাসন কর্মকর্তারা বলেছেন, তার কুয়েতে ফিরে যাওয়া উচিত। সেখানে তার পরিবার তার জন্য অপেক্ষা করছে।

এদিকে, মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়াসহ চারটি দেশে আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছিলেন রাহাফ। তার আবেদন গ্রহন করার ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।