• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৬ সন্ধ্যা

‘বিশ্বশান্তির জন্য’ চুমু

  • প্রকাশিত ০৬:২১ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯
পোপ ইমাম
আবু ধাবিতে পোপ ফ্রান্সিস ও মিশরের গ্র্যান্ড ইমাম। ছবি: রয়টার্স

‘‘আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি যে, কখনও ধর্মের কারণে যুদ্ধ, ঘৃণা, সহিংসতা এবং উগ্রবাদের উত্থান হওয়া উচিত নয়।’’

মিশর সফরকালে দেশটির আল-আজহার মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম আল-আজহার শেখ আহমেদের সঙ্গে দেখা করেছেন খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু পোপ ফ্রান্সিস। সোমবার (৪ জানুয়ারি) আবু ধাবিতে সাক্ষাৎ করেন এই দুই ধর্মীয় নেতা। সেখানে তারা বিশ্বশান্তি এবং সম্প্রীতির প্রত্যাশায় একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।

বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে ‘যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ, নিপীড়ন, বিচারহীনতা এবং অত্যাচারের শিকার’ ভেদাভেদ না করে এমন মানুষদেরকে উৎসর্গ করে বিবৃতিটি স্বাক্ষরিত হয়। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী পরস্পরকে চুমু এই দুই ধর্মীয় নেতা।

সেখানে বলা হয়, ‘‘আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি যে, কখনও ধর্মের কারণে যুদ্ধ, ঘৃণা, সহিংসতা এবং উগ্রবাদের উত্থান হওয়া উচিত নয়।’’

এসময় পশ্চিম এশীয় অঞ্চলের মুসলিমদেরকে স্থানীয় খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান মিশরের গ্র্যান্ড ইমাম। মিশরে বসবাসরত খ্রিস্টানদেরকে ‘দেশের পূর্ণ অধিকার এবং দায়িত্ব সম্পন্ন নাগরিক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মুসলমানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘তোমাদের সব খ্রিস্টান ভাইদেরকে আলিঙ্গন কর। কারণ তারাও আমাদের জাতিস্বত্ত্বার অংশ।’’

পোপ ফ্রান্সিসও সেখানে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। যদিও, দেশটিতে বসবাসরত অমুসলিমরা সম্পূর্ণরূপে নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ করতে পারেন না। কিন্তু পোপ মনে করেন, ‘স্থায়ী শান্তির জন্য সব ধর্মের মানুষকে একত্রিত হতে হবে।’

প্রসঙ্গত, সোমবার ৪০ ঘণ্টার বিশেষ সফরে আবু ধাবিতে যান পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে তাকে উষ্ণ অভর্থ্যনা জানান ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।