• রবিবার, মে ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

আরও দুই আইএস তরুণীর নাগরিকত্ব বাতিল করল যুক্তরাজ্য

  • প্রকাশিত ০৩:১১ বিকেল মার্চ ১০, ২০১৯
আইএস
আইএস-এ যোগ দেওয়া প্রচুর সংখ্যক সাবেক নারী যোদ্ধারাও বর্তমানে সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে থাকছে। ছবি- এএফপি

সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে শামীমার সদ্যোজাত সন্তানের মৃত্যু নিয়ে আলোচনা মধ্যেই নতুন করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত দুই আইএস তরুণীর নাগরিকত্ব বাতিল হলো

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার আইএস-এ যোগদানকারী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আরও দুই নারীর নাগরিকত্ব বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। আইএস সদস্যকে বিয়ে করা এ দুই নারীও সন্তানদের নিয়ে শামীমার মতোই সিরীয় শরণার্থী শিবিরে থাকছে।

বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ওই দুই তরুণীর নাম রীমা ইকবাল ও জারা ইকবাল। তারা দুই বোন। শুক্রবার (৮ মার্চ) সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে শামীমার সদ্যোজাত সন্তানের মৃত্যুর খবর আসে। এ নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে চলছে সমালোচনা। এর মধ্যেই রীমা ও জারার নাগরিকত্ব বাতিল করলো দেশটির সরকার।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত রীমা ও জারা পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা ছিল। ২০১৩ সালে আইএস সদস্যদের বিয়ে করে সিরিয়ায় পালিয়ে যায় তারা। ৩০ বছর বয়সী রীমার এক সন্তান যুক্তরাজ্যে আর আরেকজন সিরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছে। সিরিয়ায় যাওয়ার সময় জারার দ্বিতীয় সন্তান তার গর্ভে ছিল। সিরিয়ায় তৃতীয় সন্তানেরও জন্ম দেয় সে। নাগরিকত্ব বাতিলের ব্যাপারে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে, তারা বলেছে, ব্যক্তি বিশেষের মামলা নিয়ে তারা মন্তব্য করে না। তবে তাদের দাবি, প্রমাণ সাপেক্ষেই নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না বলেও দাবি তাদের।

এর আগে আইএস-এর জঙ্গিকে বিয়ে করা বাংলাদেশি-ব্রিটিশ শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল ব্রিটিশ সরকার। আইএস- এ যোগ দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়েছিল সে। নেদারল্যান্ডস থেকে সিরিয়ায় যাওয়া এক জঙ্গিকে বিয়ে করে শামীমা। দুইবার গর্ভপাতের শিকার হওয়ার পর সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে। ব্রিটিশ সরকার জানায়, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল হলেও আইন অনুযায়ী তার সন্তান জেরাহ যুক্তরাজ্যের নাগরিক। জেরাহকে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। তবে এর মধ্যেই জেরাহ'র মৃত্যুর খবর আসে।