• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৩৮ সন্ধ্যা

ব্রুনাইয়ে সমকামিতার শাস্তি পাথর ছুড়ে মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৩:২১ বিকেল এপ্রিল ৩, ২০১৯
সমকামিতা

সমকামিতা ছাড়াও দেশটিতে আরও নানা অপরাধের জন্য ইসলামি আইনে শাস্তির আইন করা হয়েছে।

ব্রুনাইয়ে ইসলামিক শরিয়াহ আইন অনুযায়ী সমকামিতার শাস্তি পাথর ছুড়ে মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার থেকে এই আইন কার্যকর হবে দেশটিতে। 

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, শুধু সমকামিতাই নয়, দেশটিতে নানা অপরাধের জন্য ইসলামি আইন কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে চুরির শাস্তি হিসেবে হাত কেটে ফেলার কথাও উল্লেখ আছে। 

ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ বুধবার দেশটির জনগণের উদ্দেশে বলেন, 'আমি দেখতে চাই এই দেশে ইসলামি আইন শক্তিশালী হচ্ছে।' 

এই আইন বাস্তবে আসার পর ব্রুনাইয়ের সমকামী সম্প্রদায় এটিকে 'মধ্যযুগীয় শাস্তি' বলে উল্লেখ করেছে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন হলিউড অভিনেতা জর্জ ক্লুনি ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অ্যালেন ডিজেনেরেসসহ বেশ কয়েকজন তাঁরকা। 

সমকামিতা ছাড়াও দেশটিতে আরও নানা অপরাধের জন্য ইসলামি আইনে শাস্তির আইন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, পুরুষদের সমকামিতা, ডাকাতি ও নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের জন্য মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে নারীদের সমকামিতার জন্য ৪০ বেতের বাড়ি অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হবে। 

আজ থেকে কার্যকর হওয়া আইনে চুরির শাস্তি হাত কেটে নেওয়া এবং গর্ভপাতের শাস্তি জনসম্মুখে মারধরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

এছাড়া ১৮ বছরের নিচের মুসলিম শিশুদের অন্য ধর্ম গ্রহণের জন্য উৎসাহী করা জন্য ইসলামি আইনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

বিবিসির খবরে বলা হয়, নতুন এই আইনের আওতায় সাধারণৎ মুসলিমরা পড়বেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই আইন অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা হবে। 

এশিয়ার দেশ ব্রুনাইয়ে আয়ের মূল উৎস খনিজ তেল ও গ্যাস। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ রয়েছে দেশটির। পশ্চিমা বিভিন্ন দেশে রয়েছে ব্রুনাইয়ের মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল হোটেল।