• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৭ বিকেল

জাতিসংঘের সমন্বয়ে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন চায় জাপান

  • প্রকাশিত ১০:৫১ সকাল এপ্রিল ১৭, ২০১৯
রোহিঙ্গা
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার মুখে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

‘রোহিঙ্গাদের জন্য কোনো সহায়তাই পর্যাপ্ত নয়’

জাতিসংঘের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাপান। সম্প্রতি ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়েসু ইজুমি এ কথা বলেছেন। এসময় রোহিঙ্গাদের জন্য কোনো সহায়তাই পর্যাপ্ত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

তিনি বলেন, “বাস্তুচ্যুত জনগণকে সহায়তা ও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কমিউনিটিকে সহযোগিতা করতে আমাদের অনেক কাজ করার আছে। একই সাথে তাদের (রোহিঙ্গা) নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সাথে প্রত্যাবাসনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর দ্বারা নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়। এর আগেও কয়েক দফা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকরা। বর্তমানে মিয়ানমারের প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয়ে আছে।

মিয়ানমারের সাথে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় জাপান সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখতে চাই।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মানবিক দিক বিবেচনায় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, “এই মানবিকতাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। এ বাস্তুচ্যুত জনগণ ও স্থানীয় কমিউনিটির জন্য আমাদের এখনো অনেক কিছু করার আছে। কারণ কোনো সহায়তাই তাদের জন্য পর্যাপ্ত নয়।”

রোহিঙ্গা ও ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় কমিউনিটির সহায়তায় জাতিসংঘ, জাপানি  এনজিও ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে জাপান সরকার ইতিমধ্যে ৮২.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সরবরাহ করেছে বলেও জানান তিনি। এছাড়াওএই সহায়তার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাত, পানি সরবরাহ, দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলা এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সাথে জাপানের সহায়তা সংস্থা জাইকা কাজ করে যাচ্ছে।