• শনিবার, আগস্ট ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০৬ রাত

মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ১০০

  • প্রকাশিত ১২:৩২ দুপুর জুন ১১, ২০১৯
mali
হামলার পর বিধ্বস্ত ডোগন গ্রাম। ছবি: এএফপি

এ দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ-সংঘাত বহু পুরনো। ফুলানিরা মুসলিম হওয়ায় তাদের সঙ্গে ইসলামি জঙ্গিদের সখ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সেন্ট্রাল মালির একটি গ্রামে উগ্রবাদীদের হামলায় অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছে। 

স্থানীয় সময় রবিবার, বেলা ৩টার দিকে মালির মোবতি এলাকায় সানগা শহরের কাছে সোবামে দা গ্রামে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, ঐ গ্রামটির জনসংখ্যা মাত্র ৩০০ জন। হামলার পর গ্রামটি থেকে ৯৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশের শরীরই ছিল আগুনে পোড়া। এ ছাড়া এখনো ১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন করে সহিংসতা ঠেকাতে ঐ অঞ্চলে বিমান সহায়তা পাঠিয়েছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী।

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া আমাদো টোগো নামের এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ৫০ জনের একটি দল ভারী অস্ত্র নিয়ে মোটর সাইকেল ও পিকাপ নিয়ে আসে। প্রথমে তারা পুরো গ্রাম ঘিরে ফেলে। যে পালানোর চেষ্টা করেছে তাকেই তারা হত্যা করেছে। এ ক্ষেত্রে নারী, শিশু, বৃদ্ধ কেউই বাদ যায়নি।  

দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীরা’ এই হামলা চালিয়েছে এবং এখনো ১৯ জন নিখোঁজ আছে। তবে এখনো কেউ এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। 

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে দেশটিতে ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর আর্বিভাবের পর থেকে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গোষ্ঠীগত বিরোধের কারণেই এসব সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। 

মোবতি এলাকার ডোগন শিকারি এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সেমি নোমাডিক ফুলানিদের মধ্যে সংঘর্ষ প্রায় নিয়মিত ঘটনা। ডোগনরা প্রথাগত পদ্ধতিতে চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে। অন্যদিকে, পশ্চিম আফ্রিকা যাওয়া ফুলানি গোত্রের লোকেরা কিছুটা যাযাবর জীবনযাপন করে। এ দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ-সংঘাত বহু পুরনো। ফুলানিরা মুসলিম হওয়ায় তাদের সঙ্গে ইসলামি জঙ্গিদের সখ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।