• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫২ রাত

পাক প্রধানমন্ত্রীকে চেনেন না সহকারী, ইমরান খানের জায়গায় শচীনের ছবি পোস্ট

  • প্রকাশিত ০৩:১৭ বিকেল জুন ২৪, ২০১৯
ভুল টুইট
টুইটারে শচীন টেন্ডুলকারের শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে ‘প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ১৯৬৯’ লিখে ট্রলের শিকার হয়েছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীরই বিশেষ সহকারী নাইম উল হক। ছবি: সংগৃহীত

শনিবার টুইটারে এই পোস্টটি দেয়ার পর থেকে সেটি এখনও পর্যন্ত ৭ হাজারেরও বেশিবার রিটুইট হয়েছে

টুইটারে শচীন টেন্ডুলকারের শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে ‘প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ১৯৬৯’ লিখে ট্রলের শিকার হয়েছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীরই বিশেষ সহকারী নাইম উল হক। শনিবার টুইটটি পোস্ট করেন তিনি।

জানা যায়, ইমরান খানের ছোটবেলার ছবি ভেবে শনিবার 'প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ১৯৬৯' ক্যাপশন দিয়ে ইমরানের বদলে ব্যাট হাতে শচীন টেন্ডুলকারের শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। আপলোড করার পর পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর এই পোস্ট মুহুর্তেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ট্রল আইকনে পরিণত হন নাইম।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পোস্ট নিয়ে মজায় মেতে ওঠেন নেটিজেনরা। নাইম উল হকের টুইটের উত্তরে একেকজন একেকভাবে এই ভুল পোস্ট নিয়ে মস্করা করছেন।


একজন নরেন্দ্র মোদির একটি পুরনো ছবি দিইয়ে ক্যাপশন লিখেছেন অভিনেতা পরেশ রাওয়াল। আবার আরেকজন অভিনেতা সালমান খানের একটি ছবি দিয়ে নিচে লিখেছেন শোয়েব আখতার। একজন লগন সিনেমা থেকে আমির খানের একটি ছবি দিয়ে তাতে ক্যাপ্সহন লিখেছেন বিরাট কোহলি ১৮৫৭ সাল। নাইম উল হকের এই পোস্টটি এখনও পর্যন্ত সাতশ'বারেরও বেশি রিটুইট হয়েছে। পোস্টটিতে লাইক পড়েছে ৭ হাজার।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজেই খলিল জিবরানের কয়েকটি লাইন টুইট করে ট্রলের শিকার হন। নেটিজেনদের দাবি, কবিতার লাইনগুলো খলিল জিবরানের নয়। কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।