• বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ সকাল

খোমেনিকে থামাতে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত ০৮:৩৫ সকাল জুন ২৫, ২০১৯
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি। ছবি : এএফপি

উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি তেলের ট্যাংকারে হামলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে ওই হামলার পেছনে হাত রয়েছে ইরানের।

চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার অনুমতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনিও। 

স্থানীয় সময় সোমবার অতিরিক্ত এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করাসহ আরও কিছু কারণে অতিরিক্ত এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। 

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, ইরানের আটজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তারা মূলত দেশটির আমলাতন্ত্র ও ইসলামিক রিভলিউশনারি গার্ড বাহিনীকে দেখভালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ট্রাম্পের এ নির্বাহী আদেশের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন আয়াতুল্লাহ খোমেনির অফিসও।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, খামেনির অনেক সম্পদ আছে। ওই অর্থ দিয়ে তিনি রিভলিউশনারি গার্ডকে সহায়তা করেন। 

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ বলছেন, এমন পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘৃণ্য কূটনীতি। ট্রাম্প প্রশাসনকে যুদ্ধে আগ্রহী বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

এর আগে ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে গত বছরের মে মাসে সরে আসে যুক্তরাষ্ট্র। পরে চলতি বছরে ওই চুক্তির শর্তাবলি না মানার কথা সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। এর জের ধরে দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ততার দিকে গড়ায়।  

এর পর ইরানর ওপর আরও চাপ বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইরানের কাছ থেকে যারা তেল ক্রয় করে তাদেরকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি তেলের ট্যাংকারে হামলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে ওই হামলার পেছনে হাত রয়েছে ইরানের।

এমন অস্থিতিশীলতার মধ্যে ইরানি কর্মকর্তারা তাদের ইউরেনিয়াম মজুদের সীমা বাড়ানোর ঘোষণা করেন।দুদেশের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ ও কথা চালাচালিতে উত্তেজনা যখন চরমে তখনই ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে একটি মার্কিনি ড্রোন ভূপাতিত করে ইরান।