• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৫ দুপুর

‘বাংলা’ ও ‘মাদ্রাসা’ ইস্যুতে তৃণমূলের পাশে দাঁড়ালো কংগ্রেস-সিপিএম

  • প্রকাশিত ১২:৫৫ দুপুর জুলাই ৪, ২০১৯
পশ্চিমবঙ্গ
ছবি: সংগৃহীত

একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলছে বলে কেন্দ্রের আর এক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে দল তিনটি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নাম আপাতত বদলে ‘বাংলা’ হচ্ছে না। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই ইঙ্গিত দেওয়ার পরেই রাজ্যের নামবদল নিয়ে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ গড়িমসির অভিযোগ তুলে একযোগে সরব হল তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে ওই মনোভাবের প্রতিবাদ জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসায় জঙ্গি কাজকর্ম সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের প্রেক্ষিতেও একইভাবে বিজেপি-বিরোধী অবস্থান নেয় তিন দল।

পশ্চিমবঙ্গের নাম পাল্টে সব ভাষায় ‘বাংলা’ করার সর্বসম্মত প্রস্তাব ২০১৬ সালে পাশ হয়েছিল রাজ্য বিধানসভায়। তারপর থেকে ছাড়পত্রের জন্য সেই প্রস্তাব পড়ে আছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। রাজনাথ সিংহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময়ে তাকে একাধিকবার এই বিষয়ে অনুরোধ করেছিলেন মমতা।

নাম বদলের বিষয়ে বুধবার (৩ জুলাই)রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রশ্নের লিখিত জবাবে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, পশ্চিমবঙ্গের নাম পাল্টানো হচ্ছে না। কেন হচ্ছে না, সেই ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রীর ব্যাখ্যা, ‘‘কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তন করতে হলে সব বিষয় দেখার পরে সংবিধান সংশোধন করার প্রয়োজন হয়।’’

ঋতব্রত বলেন, ‘‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিলো, প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলার নামের মিল রয়েছে। তাই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া প্রয়োজন। তারপরে আড়াই বছর বিষয়টি ফেলা রাখা হয়েছে। অথচ ভারতের একটি রাজ্য যেমন পঞ্জাব, তেমনই পাকিস্তানেও পঞ্জাব প্রদেশ রয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয় না!’’ 

একইভাবে মাদ্রাসায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলছে বলে কেন্দ্রের আর এক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রী পার্থবাবু ও সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এবং বিরোধী শিবিরের মান্নান ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। তাদের সকলেরই বক্তব্য, কোনও নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এক ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হচ্ছে।