• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১৩ রাত

লাদেনপুত্র হামজা বিন লাদেন মারা গেছেন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রর

  • প্রকাশিত ১২:৩৫ দুপুর আগস্ট ১, ২০১৯
লাদেন
হামজা বিন লাদেন। ছবি: বিবিসি

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হামজা বিন লাদেন সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে ১০ লাখ ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।

আল কায়দা প্রতিষ্ঠাতা নিহত ওসামা বিন লাদেনের পুত্র ও তার উত্তরাধিকারী হামজা বিন লাদেন মারা যাওয়ার গোয়েন্দাতথ্য তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিন মার্কিন কর্মকর্তা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এখবর জানায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামজার মৃত্যু কবে, কোথায় হয়েছে সেসম্পর্কে ওই কর্মকর্তারা বিস্তারিত কোনও তথ্য দেননি। তারমানে, হামজার মৃত্যুর খবরটি যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে কিনা সেটি এখনও পরিষ্কার নয়।

এর আগে চলতিবছরের ফেব্রুয়ারিতে হামজা বিন লাদেন সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে ১০ লাখ ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।

এনবিসি জানায়, বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হামজার মৃত্যু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এবিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না।”

২০১৮ সালে শেষবারেরমত আল কায়দার গণমাধ্যমে হামজার বিবৃতি প্রকাশিত হতে দেখা যায়। ওই বিবৃতিতে হামজা সৌদি আরবকে হুমকি দেন এবং আরবের জনগণের প্রতি বিদ্রোহের আহ্বান জানান। এঘটনায় চলতিবছরের মার্চে তার নাগরিকত্ব বাতিল করে সৌদি আরব। 

হামজা বিন লাদেনের আনুমানিক বয়স ৩০ বছর। ২০১১ সালে তার পিতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হলে বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্প করেছিলেন তিনি। একই উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশের ওপর হামলার আহ্বান জানিয়ে অডিও ও ভিডিও-বার্তা প্রকাশ করেছিলেন হামজা।

ধারণা করা হয়, ইরানে গৃহবন্দি ছিলেন হামজা। তবে কিছুকিছু সূত্র দাবি করেছিল, হামজা আফগানিস্তান, পাকিস্তান বা সিরিয়াতে বাস করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের দাবি, ২০১১ সালে অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে ওসামা বিন লাদেন নিহত হলে সেখান থেকে জব্দকৃত নথিতে আল কায়েদার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল হামজার।

এছাড়া আরেক জ্যেষ্ঠ আল কায়েদা নেতা আব্দুল্লাহ আহমেদ আব্দুল্লাহ বা আবু মুহাম্মদ আল মাসরির মেয়ের সাথে হামজার বিয়ের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। বিয়েটি ইরানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

আব্দুল্লাহ আহমেদ আব্দুল্লাহ বা আবু মুহাম্মদ আল মাসরি ১৯৯৮ সালে তানজানিয়া ও কেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার পেছনে জড়িত ছিল আল কায়েদা সংগঠন। তবে গত দশকে আইএস মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে আল কায়েদার নামডাক কমে যায়।