• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১০ বিকেল

৫০০ অবৈধ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত

  • প্রকাশিত ০১:৩৯ দুপুর আগস্ট ১, ২০১৯
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ফাইল ছবি। রয়টার্স

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া এফিডেভিটে দিল্লি পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪৮৯ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ইতোমধ্যে ৪৮০ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গত ২৮ মাসে প্রায় ৫০০ অবৈধ বাংলাদেশিকে আটকের পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া এফিডেভিটে দিল্লি পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪৮৯ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে ইতোমধ্যে ৪৮০ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই-এর বরাত দিয়ে বুধবার (৩১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এখবর জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক নেতার করা জনস্বার্থ মামলার (পিআইএল) প্রেক্ষিতে আদালতে এই এফিডেভিট দেয় পুলিশ। অশ্বিনি উপাধ্যায় নামের ওই বিজেপি নেতা সব ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ও রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দিতে চান। 

আগামী ১৪ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মামলায় প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভারত থেকে বিতাড়িত করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান অশ্বিনি উপাধ্যায়।

মামলায় ভারতে বসবাসরত ‘বাংলাদেশি নাগরিক’ ও রোহিঙ্গাসহ সব অবৈধ অভিবাসী এবং অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত, আটক ও তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশেষ করে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী ভারতে পাড়ি জমাচ্ছে। এটি শুধু সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর জনসংখ্যার কাঠামোকেই হুমকিতে ফেলেছে তা নয় বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সুরক্ষা ও জাতীয় সংহতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

অশ্বিনি দাবি করেন, বেনাপোল-হরিদাসপুর ও হিলি (পশ্চিমবঙ্গ), সোনামোড়া (ত্রিপুরা), কলকাতা ও গুয়াহাটি হয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সংঘবদ্ধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। একটি সংঘবদ্ধচক্র এব্যাপারে তাদের সহায়তা করছে। মামলায় বলা হয়, এপরিস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।