• মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৩ দুপুর

পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্র: ভারতের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বদলে জঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করুন

  • প্রকাশিত ১২:৩১ দুপুর আগস্ট ৮, ২০১৯
কাশ্মীর
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার (৭ আগস্ট) ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার অজয় বিসারিয়াকে বহিষ্কার করে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন করে পাকিস্তান। পাশাপাশি কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রতিবাদ জানানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি

ইসলামাবাদ থেকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে পড়েছে পাকিস্তান। ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে নিজেদের দেশের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করা উচিৎ বলে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপ করে রাজ্যটিকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। আর বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই ভারতের বিরোধিতা করে আসছে পাকিস্তান। 

বুধবার (৭ আগস্ট) ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার অজয় বিসারিয়াকে বহিষ্কার করে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন করে পাকিস্তান। পাশাপাশি কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রতিবাদ জানানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। 

এর আগে, মার্কিন পররাষ্ট্রবিভাগ জানায়, এই পদক্ষেপের কথা তাদের জানায়নি নরেন্দ্র মোদী সরকার। তাতে আন্তর্জাতিকভাবে বেশ চাপের মুখেই পড়েছিল ভারত। তবে, বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রবিভাগের দুই সদস্যের যৌথবিবৃতি উল্টে পাকিস্তানকেই চাপে ফেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার রাতে মার্কিন সেনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সদস্য রবার্ট মেনেন্দেজ ও হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইলিয়ট এঞ্জেল একটি যৌথ বিবৃতিতে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ওই বিবৃতিতে ওই দুই সদস্য বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া থেকে পাকিস্তানের দূরে থাকা উচিৎ। এরমধ্যে যেমন নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে জঙ্গিদের সাহায্য করার বিষয়টিও রয়েছে, পাশাপাশি দেশের মাটিতে সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ পাকিস্তানের।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিকদেশ ভারতের সামনে সকল নাগরিককে রক্ষা করা এবং সমানাধিকার দেওয়ার একটা সুযোগ এটা। স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক যোগদান গণতন্ত্রের ভিত্তি। আমরা আশা রাখব জম্মু-কাশ্মীরে ভারত সরকার এই নীতিই মেনে চলবে।”