• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৫ দুপুর

কাশ্মীর ইস্যুতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ

  • প্রকাশিত ০৪:০৯ বিকেল আগস্ট ১৬, ২০১৯
কাশ্মীর
অনির্দিষ্টকাল কারফিউ চলাকালে কাশ্মীরে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য। ছবি: রয়টার্স

কাশ্মীর ইস্যুতে বৈঠকের জন্য একটি চিঠিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে অনুরোধ করে চীন

জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করার ভারতের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুক্রবার রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এক কূটনীতিক জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে বৈঠকের জন্য একটি চিঠিতে অনুরোধ করে চীন। এর প্রেক্ষিতে বুধবার নিরাপত্তা পরিষদ বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেয়। চীনের পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে বৈঠক করার প্রস্তাব দেয় পাকিস্তানও।

ভারতের সংবাদসংস্থা আইএএনএসকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদ এই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার রুদ্ধদ্বার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবারই এই বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করা যায় কিনা তা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হয়। এরপর শুক্রবার এ বিষয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ।

তবে জানা গেছে, রুদ্ধদ্বার বৈঠক হওয়ায় এই বৈঠকে নাক গলাতে পারবে না পাকিস্তান।

নিরাপত্তা পরিষদের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ওই বৈঠকের কোনও সরাসরি সম্প্রচার হবে না এবং কোনও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকেও বৈঠক চলাকালীন ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়ায় হবে না। চূড়ান্ত গোপনীয়তা রক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বৈঠকটির বিষয়ে।

এর আগে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ ও ৩৫-এ ধারা রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা অবলুপ্ত করার বিষয়ে মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় পাকিস্তান। এমনকি তারা বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক এমনটাও দাবি করে।

প্রসঙ্গত, চীন ছাড়া, নিরাপত্তা পরিষদের অন্য চার স্থায়ী সদস্য প্রকাশ্যে নয়াদিল্লির অবস্থান সমর্থন করে এবং জানায় এটি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ দ্বিপাক্ষিক বিষয়, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও বলেছে যে, কাশ্মীরের উন্নয়ন নিয়ে ভারতের এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরিই তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়। এতে কাশ্মীর ভারতের কেন্দ্রীয় শাসনের অধিভুক্ত হয়। এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সহিংস প্রতিক্রিয়া রোধে কাশ্মীরে টানা কারফিউ জারি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছে ভারত সরকার। অঞ্চলটিতে মানুষজন ঘরে বন্দি হয়ে আছেন।