• সোমবার, জুন ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৩৭ সন্ধ্যা

আয়াতুল্লাহ খোমেনীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আলোচনা সভা

  • প্রকাশিত ০৯:২৮ রাত মে ২৮, ২০১৯
ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন অডিটোরিয়ামে ‘ইমাম খোমেইনী (রহ.)-এর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি: ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

সভায় বক্তারা ইরানের ইসলামি বিপ্লবের এই নেতার দর্শন ও অবদান সম্পর্কে আলোচনা করেন

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন অডিটোরিয়ামে ‘ইমাম খোমেইনী (রহ.)-এর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিসুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেযা নাফার।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদিনাতুল উলূম মডেল ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রাজ্জাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর ড. মাইমুল ইসলাম খান, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান ও প্রখ্যাত চিন্তাবিদ জনাব তানিম নওশাদ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খোমেনী ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বিশ্বসভ্যতার অন্যতম লালনভূমি ইরানে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন রাজতন্ত্রের উত্তরাধিকারী পাহলভী বংশের স্বৈরাচারী শাসনকে উৎখাত করেন। ইমাম খোমেইনী আজীবন সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি ছিলেন একজন আপোসহীন সংগ্রামী পুরুষ, যিনি সকল শোষণ ও অনাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। খোমেনীর বড় পরিচয় হলো তিনি একজন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন বলেই বিশ্বের পরাশক্তিগুলো ইরানের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র করেও সফলতা লাভ করতে পারে নি।

বক্তারা আরো বলেন, ইমাম খোমেইনী একজন উঁচু মাপের কবিও ছিলেন। তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু ছিল নৈতিকতা, মানবতা, আল্লাহর সাথে বান্দার গভীর সম্পর্ক লাভের শিক্ষা এবং আল্লাহর সৃষ্টির সাথে মানুষের সম্পর্ক লাভের শিক্ষা ও দেশপ্রেম। তাঁর কবিতাগুলো শেখ সাদী ও মাওলানা রুমির ভাবাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত যার গভীরতা অনেক।