• শনিবার, আগস্ট ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০৬ রাত

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

  • প্রকাশিত ১২:০০ দুপুর জুন ১, ২০১৯
লাইলাতুল কদর

লাইতুল কদরের পরদিন সারাদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর। রাতটি মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে অনেক ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। সারাদেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় রাতটিতে ইবাদত বন্দেগী করবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

পবিত্র কোরআনের ৯৭তম সুরা ‘আল-কদরে’ এ রাতকে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত বলে ঘোষণা করেছেন মহান আল্লাহ। হযরত মুহাম্মদকে (স.) উদ্দেশ করে আল্লাহ বলেছেন, 'তুমি কি জানো এই রাত কি?' আবার আল্লাহ তাআলা নিজেই এর উত্তর দিয়েছেন, বলেছেন, 'এই রাত হাজার বছরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। যারা সূর্যাস্তের পর থেকে পরদিন সূর্যোদয় পর্যন্ত ইবাদত-বন্দেগী করবে তারা হাজার মাসের ইবাদতের সওয়াব পাবে, বর্ষিত হবে আল্লাহ’র রহমত ও শান্তি।'

মাহে রমজানের এই রাতেই মানবজাতির জন্য সার্বিক দিকনির্দেশনা, কল্যাণ ও তাদের জীবনবিধান হিসেবে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন মজিদ নাজিল করেন।

মুসলমানরা নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, জিকির, দরুদ ও আল্লাহর বিধানের আলোচনা শোনার মাধ্যমে রাতটি অতিবাহিত করবেন। এই রাতে মসজিদে মসজিদে ও ঘরে ঘরে মহান আল্লাহ’র গুণগান এবং তার প্রতি বিনীতভাবে অবনত মস্তকে নতজানু হন মুসলমানরা।

অনেকেই ইবাদত বন্দেগীর পাশাপাশি পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া প্রিয়জনদের কবরের পাশে গিয়ে তাদের জন্য মহান আল্লাহর তাআলার কাছে মাগফিরাত (ক্ষমা ও তাদের আত্মার শান্তি) কামনা করেন।

খুবই ফজিলতপূর্ণ রাত হওয়ায় মুসলমানরা এই রাতে মহান আল্লাহর কাছে নিজেদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’র জন্য ঐক্য, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জাতীয়ভাবে রাতটি যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় অতিবাহিত করতে মাগরিব থেকে ফজর পর্যন্ত নানা ধর্মীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।  

লাইতুল কদরের পরদিন সারাদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।