• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০ সকাল

গাড়িতে চড়লে রাস্তাই শোনাবে গান!

  • প্রকাশিত ০২:২৩ দুপুর আগস্ট ১৮, ২০১৯
মিউজিক্যাল রোড
গাড়ি চালকদের একঘেয়েমি কাটাতে এরকম বেশ কয়েকটি ‘মিউজিক্যাল রোড’ তৈরি করেছে জাপান। ছবি: সংগৃহীত

গাড়ি চালকদের একঘেয়েমি কাটাতে বেশ কয়েকটি ‘মিউজিক্যাল রোড’ তৈরি করেছে জাপান

লং ড্রাইভে বেরিয়েছেন! দীর্ঘ পথ স্টিয়ারিং হাতে একঘেয়েমি লাগছে? এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই গাড়ির মিউজিক সিস্টেমটা অন করে দেন। সচরাচর এমনটাই হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এমনটা হয়, সেই রাস্তাই পছন্দের সুর-তালে আপনাকে মোহিত করছে! অবাক হলেও বিষয়টা কিন্তু অবাস্তব নয়। এমনটাই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

প্রতিবেদনটি বলা হয়েছে, গাড়ি চালকদের একঘেয়েমি কাটাতে তাই বেশ কয়েকটি ‘মিউজিক্যাল রোড’ তৈরি করেছে জাপান। ৩০টিরও বেশি মিউজিক্যাল রোড রয়েছে এখানে। কিমিনো শহরের মিউজিক্যাল রোড দিয়ে গেলেই বাজতে শুরু করে জাপানের প্রিয় লোকগাথা ‘নিয়াগেত গোরান ইয়োরু’। আবার গুনমা শহরের মিউজিক্যাল রোডে যেমন শোনা যায় সেদেশের জনপ্রিয় গান ‘মেমরিজ অব সামার’। হোক্কাইডো, হিরোশিমা, মাউন্ট ফুজি’র বেশকিছু রাস্তাতেই রয়েছে এপদ্ধতি। 

গাড়ি চালকদের একঘেয়েমি কাটাতে এরকম বেশ কয়েকটি ‘মিউজিক্যাল রোড’ তৈরি করেছে জাপান। ছবি: সংগৃহীত

মিউজিক্যাল রোডের স্রষ্টা জাপানের ইঞ্জিনিয়র শিজুয়ো শিনোদা। তার পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়েই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিউজিক্যাল রোড তৈরি করেছে জাপান।

রাস্তাতেই শব্দের এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। কোথাও স্বল্প ফারাকে, কোথাও আবার বেশি ফারাকে রাস্তার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে সরু চ্যানেল কেটেছেন তারা। গাড়ি যখন ওই চ্যানেলগুলোর উপর দিয়ে যায়, তখন একটা কম্পন তৈরি হয়। আর সেই কম্পনেই সৃষ্টি হয় সুরের। 

রাস্তায় যেখানে স্বল্প ফারাকের চ্যানেল রয়েছে সেখানে দ্রুত লয়ের সুর সৃষ্টি হয়। আবার যেখানে বেশি ফারাকের চ্যানেল রয়েছে সেখানে ঢিমে লয়ের সুর সৃষ্টি হয়।