• রবিবার, মে ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ শুরু

  • প্রকাশিত ১১:২২ সকাল মার্চ ১১, ২০১৯
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সিলমারা ব্যলট হাতে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রীদের বিক্ষোভ। ছবি: মেহেদি হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন।

এর আগে ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলে জানান

বেলা ১১টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 

এর আগে ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলে জানান 

তিনি বলেন, "বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সবাইকে খালি ব্যালট বাক্স দেখিয়ে তারপর সিলগালা করা হবে"।

এদিকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় খবরে ইতোমধ্যেই ভোটারদের লম্বা লাইন তৈরি হয়েছে কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে।

এর আগে ঐ হলের পাশ থেক সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ভোটে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হলের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় বস্তাভরা ঐ ব্যালটগুলোতে ছাত্রলীগের পক্ষে সিল মারা থাকায় সংগঠনটিকে ডাকসু নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার করেন দাবি করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।   

পরে এই ঘটনায় বরখাস্ত করা হয় হল প্রভোস্ট শবনম জাহানকে। এই হলে নতুন প্রভোস্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিনকে।

প্রসঙ্গতঃ এই হলের মোট ভোটার সংখ্যা ১৯২০ জন। এই হলে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৬টি।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো হলে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ডাকসুর ২৫টি পদে বিভিন্ন প্যানেল ও স্বতন্ত্রভাবে মোট ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে- ভিপি (ভাইস প্রেসিডেন্ট) পদে ২১ জন, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ১৪ জন, এজিএস (সহ সাধারণ সম্পাদক) পদে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।