• বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৫ রাত

হানিফ: বিএনপি একবার ক্ষমতায় গেলে আর ক্ষমতা ছাড়তে চায় না

  • প্রকাশিত ০৫:৪২ সন্ধ্যা জুলাই ১৬, ২০১৯
মাহবুব-উল-আলম হানিফ
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। ফাইল ছবি

বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার মত সামর্থ্য আওয়ামী লীগের রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপির জন্যই দেশে ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ তারা কোনভাবে একবার ক্ষমতায় গেলে তারা আর ক্ষমতা ছাড়তে চায় না।

বাসস জানায়, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০০৭ সালের এই দিনে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে তাঁর রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন সুধাসদন থেকে গ্রেফতার করেছিল।

হানিফ বলেন, বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে জোর করে ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী ভোটার বিহীন নির্বাচন করেছিল। কিন্তু গণআন্দোলনের মুখে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবারো ক্ষমতায় থাকার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং দলীয় লোককে তত্তাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে অগণতান্ত্রিক শক্তি দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পেয়েছিল।

তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে ষড়যন্ত্র আগেও ছিল, এখনও আছে। আমাদের দেশেই শুধু নয়, বিদেশেও প্রতিটি সরকারকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হয়। আমাদের দেশও সেই চ্যালেঞ্জের বাইরে নয়।

বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার মত সামর্থ্য আওয়ামী লীগের রয়েছে বলে মন্তব্য করেন হানিফ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণ মানুষের দল। আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর মতো রাজনৈতিক শক্তি দেশে আর নেই।

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, দেশের রাজনীতিতে আর যাতে কখনো অগণতান্ত্রিক শক্তি হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া উচিত।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য রাখেন।