• বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৩ রাত

ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ ৪ নেতাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

  • প্রকাশিত ০২:৪৪ দুপুর আগস্ট ৬, ২০১৯
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি- সংগৃহীত

গত ৫ আগস্ট বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী।

হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আগাম জামিন নিতে আসা মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ চার নেতাকে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে তাদেরকে হেনস্থা বা গ্রেপ্তার না করারও নির্দেশ দেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আত্মসমর্পণের আদেশপ্রাপ্ত বিএনপির অন্য তিন নেতা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আদালতে বিএনপি নেতাদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম।

এর আগে গত ৫ আগস্ট বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নয়জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের হয়।

মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, বুয়েটের বহিষ্কৃত শিক্ষক হাফিজুর রহমান রানা ও ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ভূঁইয়া।

পরে মামলার শুনানি নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার। তাই এ মামলায় জামিন চেয়ে আজ সকালে হাইকোর্টে আবেদন জানান বিএনপির শীর্ষ চার নেতা।

এবি সিদ্দিকীর দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৩ জুলাই বাদীর বাসায় রেজিস্ট্রি ডাকে চিঠি পাঠিয়েছেন বুয়েটের শিক্ষক হাফিজুর রহমান রানা। যাতে তাকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং এক মাসের মধ্যে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় তিনি নিরাপত্তা চেয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন এবং পরে নয়জনকে আসামি করে গত ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন।