• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

কাদের: বঙ্গমাতা পর্দার অন্তরালে থাকা সাহসী এক নারী

  • প্রকাশিত ০১:৪৫ দুপুর আগস্ট ৮, ২০১৯
ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে তার কবরস্থানে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মীনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে পর্দার অন্তরালে থাকা সাহসী এক নারী হিসেবে অভিহিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে তার কবরস্থানে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, "বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ ১২ বছরের জেল জীবনে তিনি একদিকে ঘর অন্যদিকে দল সামলেছেন। কিন্তু সামনে না এসে থেকেছেন সবসময় পর্দার অন্তরালে। আজ আমরা বাংলার ইতিহাসের বীর এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে এসেছি।"

"বাংলাদেশের ইতিহাসের অসীম সাহসী এক নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আজ জন্মদিন। আগস্টে তার জন্ম; আগস্টেই তার রক্তাক্ত বিদায়। আনন্দ-বেদনা হাসি-কান্নার মিশেলে আজ আমরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সমাধিস্থলে এসেছি", যোগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, "তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতির পিতার সহকর্মী ও বন্ধু। শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ এক যুগের জেল জীবনে একদিকে যেমন পরিবারকে সামলেছেন ঠিক তেমনি সে সময়ে দলকে সামলানোর দায়িত্বও ছিল তার কাঁধে। তিনি কখনো সামনে আসেননি, পর্দার আড়ালে থেকেই তার কাজ সম্পাদন করে গেছেন।"

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও এনামুল হক শামীম, তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বঙ্গমাতার আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।