• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১০ রাত

আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের বদলি নামানোর অনুমতি দিলো আইসিসি

  • প্রকাশিত ০৬:৫৩ সন্ধ্যা জুলাই ১৯, ২০১৯
ইনজুরি
ছবি: সংগৃহীত

এজবাস্টনে আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অ্যাশেজ সিরিজ থেকে কার্যকর হবে এই নিয়ম

ক্রিকেটকে আরও নিরাপদ করার পদক্ষেপ হিসেবে সমঝোতার ভিত্তিতে আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের পরিবর্তে তার সমমানের আরেকজনকে বদলি হিসেবে খেলানোর নিয়মের অনুমোদন দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পরীক্ষামূলকভাবে আগামী দুই বছর আন্তর্জাতিক, প্রথম শ্রেণি এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ম্যাচে আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের বদলি খেলানো যাবে।

আইসিসির গভর্নি বডির প্লেয়িং কন্ডিশনে নিয়মটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এজবাস্টনে আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অ্যাশেজ সিরিজ থেকে কার্যকর হবে।

খেলোয়াড়ের আঘাতের মাত্রা নির্ধারণ করবেন দলের মেডিকেল প্রতিনিধি। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে যিনি আসবেন তিনি ব্যাটিং-বোলিং দুদিকেই খেলতে পারবেন। তবে তাকে আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের সমমানের হতে হবে এবং ম্যাচ রেফারি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

লন্ডনে আইসিসির বার্ষিক সম্মেলন শেষে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষামূলকভাবে দুই বছর ব্যবহারের পর বিশ্বব্যপী পুরুষ ও নারীদের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের বিকল্প একজনকে খেলানোর অনুমতি দিয়েছে আইসিসি।’’

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ২০১৬-১৭ মৌসুমে এ ব্যবস্থা চালু করে। এছাড়া ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিসি) ২০১৮ মৌসুমে পেশাদার চারটি ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় এ নিয়ম চালু করে।

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া শেফিল্ড শিল্ডে ২০১৪ সালে বলের আঘাতে ব্যাটসম্যান ফিলিপ হিউজের মৃত্যুর পরই বদলি খেলোয়াড় ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে।

মাত্র শেষ হওয়া বিশ্বকাপে গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে একটি বাউন্সারের বলে মাথায় আঘাত পাওয়া সত্বেও মেডিকেল পরামর্শ উপেক্ষা করে ব্যাটিং করেছেন আফগানিস্তানের হাশমতউল্লাহ শাহিদি। এরপর বিষয়টি নিয়ে আরও জোড়ালো আলোচনা শুরু হয়।

এ বছরের শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়া সফরে শ্রীলংকার দুই খেলোয়াড় কুশল মেন্ডিস ও দিমুথ করুনারত্নে মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তারা খেলার অনুমতি পান।

নতুন এ নিয়মে প্রত্যেক দলের সঙ্গে একজন নির্বাচিত মেডিকেল প্রতিনিধি থাকবেন। এছাড়া প্রত্যেক ম্যাচেই একজন স্বাধীন ম্যাচ ডে ডাক্তার থাকেবন।

মূলত কোনো খেলোয়াড়ের আঘাত নির্ধারণ করবেন ডাক্তার।