• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০১ দুপুর

যে ৩৬ ম্যাচ খেলতে পারবেন না সাকিব

  • প্রকাশিত ০২:২৩ দুপুর অক্টোবর ৩০, ২০১৯
সাকিব আল হাসান
সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি

২০২০ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ

আইসিসি'র নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-২০ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান মোট ৩৬ ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। এরমধ্যে রয়েছে ১৩টি টেস্ট, ছয়টি ওয়ান ডে ইন্টারন্যাশনাল (ওডিআই) ও ১৭টি টি-২০ ম্যাচ। আগামী বছরের ২৯ অক্টোবর সাকিবের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে। 

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সাকিবকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দেয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত তিনবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করায় এই সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।  

আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আসার সঙ্গে সঙ্গে তা আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। তা না হলে হতে পারে ছয় মাস থেকে পাঁচবছরের নিষেধাজ্ঞা। সাকিবকে দুইবছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও নিজের দোষ স্বীকার করে নেওয়ার জন্য একবছরের শাস্তি স্থগিত করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার ফলে সাকিব আসন্ন ভারত সফরে দুটি টেস্ট এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। 

আগামী ডিসেম্বরে শ্রীলংকার সঙ্গে তিনটি ওডিআই ম্যাচেও অংশ নিতে পারবেন না বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই তারকা। 

এছাড়া নিরাপত্তার ছাড়পত্র পেলে আগামী ২০২০ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফর করবে বাংলাদেশ দল। সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-২০ ম্যাচেও থাকবে না বাংলাদেশ অধিনায়ক।  

এদিকে আসছে বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। মার্চে কথা রয়েছে জিম্বাবুয়ে সফরের। সেখানে খেলা হবে একটি টেস্ট ও পাঁচটি টি-২০ ম্যাচ। নিষেধাজ্ঞার কারণে সেসব ম্যাচ থেকে বাদ রাখা হচ্ছে সাকিবকে।  

একই বছরের মে ও জুনে রয়েছে বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড সফর। সেখানে একটি টেস্ট, তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-২০'তে থাকবেন না সাকিব। বাদ থাকবেন জুলাই-আগস্টে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফরের তিনটি টেস্টের সিরিজেও। 

আগস্টে সাকিব নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশ নিতে পারবেন না। পরে অক্টোবরে বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজেও থাকবেন না তিনি। 

এরপরই অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি-২০ ওয়ার্ল্ডকাপ। সেখানে সাকিব থাকবেন না প্রথম রাউন্ডে। প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশের খেলা রয়েছে ১৯, ২১ ও ২৩ অক্টোবর। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার আপ হয়ে উঠলে সাকিব প্রথম দুটি ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। তবে বিশ্বকাপের টিম স্কোয়াডে সাকিবকে রাখা হলে তিনি বাকি তিনটি ম্যাচ এবং সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলতে পারবেন।