• শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫২ সকাল

বন্ধ হয়ে গেল ইয়াহু মেসেঞ্জার

  • প্রকাশিত ১১:০২ রাত জুলাই ১৮, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪০ রাত জুলাই ১৯, ২০১৮
unnamed-1531933323639.jpg
বন্ধ হয়ে গেল ইয়াহু মেসেঞ্জার। ছবি: রয়টার্স

একসময়ের জনপ্রিয় এই চ্যাটিং সেবার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মানুষের স্মৃতি।

চলতি বছরের ১৭ জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে গেল ইয়াহু মেসেঞ্জার। একসময়ের জনপ্রিয় এই চ্যাটিং সেবার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মানুষের স্মৃতি। তাদের অনেকেই নিজেদের অতীত স্মৃতির কথা প্রকাশ করছেন বর্তমানে শীর্ষে থাকা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ইয়াহু কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ১৭ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে ইয়াহু মেসেঞ্জারের সেবা। এ ছাড়াও, ইয়াহু মেসেঞ্জারের এক ব্লগপোস্টে বলা হয়েছে, “দারুণ এক যাত্রা ছিল ইয়াহু মেসেঞ্জারের। ২০ বছরের যাত্রায় সেবাটি উপভোগ করেছেন কোটি কোটি মানুষ। লাখো মানুষের জীবন বদলে দিয়েছিল সেবাটি, লাখো মানুষ এই সেবার মাধ্যমে চিঠি পাঠিয়েছেন, ছবি পাঠিয়েছেন।” 

ভিন্ন আরেক বিবৃতিতে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরেকটি মেসেজিং অ্যাপ তৈরি করছে তারা। ওই অ্যাপটির নাম ‘স্কুইরেল’। ইয়াহু মেসেঞ্জারের বদলি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে অ্যাপটি। 

১৯৯৮ সালে নিজ যাত্রা শুরু করেছিল ইয়াহু মেসেঞ্জার। সে সময়ের কিশোর-তরুণদের কাছে বেশ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল ইয়াহু মেসেঞ্জার সেবাটি। তখন গ্রুপে বা চ্যাটরুমে আলাপ করার বিষয়টি ছিল নতুন এবং অনেকেই উপভোগ করেছেন বিষয়টি। কিন্তু, বর্তমানে বিদ্যমান আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করে ইয়াহু মেসেঞ্জার। 

ইয়াহু মেসেঞ্জারের সর্বশেষ মালিকানা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ভেরিজনের ওথ কোম্পানির অধীনে। ইয়াহু মেসেঞ্জারের মালিকানাধীন ওই প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাদের এখনও ইয়াহুতে চ্যাট হিস্টোরি রয়েছে, তারা আগামী ছয় মাস পর্যন্ত তা ডাউনলোডের সুযোগ পাবেন। এরপর আর ওয়েবে থাকবে না ইয়াহু মেসেঞ্জার।