• রবিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

গ্রামাঞ্চলে ৩ মাস বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার পরিকল্পনা

  • প্রকাশিত ০৪:৩০ বিকেল জানুয়ারী ১৮, ২০১৯
ইন্টারনেট-বিগস্টক
ছবি: বিগস্টক

দেশের ২,৭০০টি ইউনিয়নে সংযোগ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে

গ্রামাঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের ২ হাজার ৭০০টি ইউনিয়নে চলমান কানেক্টিভিটি বা সংযোগ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট সকল মহলের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে গ্রামে গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে যদি ট্রান্সমিশন (ব্যান্ডউইথ পরিবহন) খরচ না নেওয়া হয় তাহলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৩ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে বাংলা ট্রিবিউনের একটি খবরে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকারের আইসিটি বিভাগের ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় দেশের ইউনিয়নগুলোতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী জুন মাস নাগাদ এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে। সরকারি-বেরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে এই প্রকল্পটি চলমান রয়েছে।

সম্প্রতি আইসিটি বিভাগ, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান এবং আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন এর এক সম্মিলিত বৈঠকে ৩ মাস গ্রামে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহবান জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ প্রস্তাবে আইএসপিগুলো সাড়া দিলেও এনটিটিএনগুলো এখনও ইতিবাচক কোনও সাড়া দেয়নি।

তবে, এনটিটিএনগুলো ইতিবাচক সাড়া দিলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলো থেকে প্রয়োজনীয় সব জায়গায় বিনা খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন।

বৈঠক প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, "আমরা বৈঠকে বলেছি, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোনও ট্রান্সমিশন খরচ না নেয় তাহলে আমরা টেস্ট রান ভিত্তিতে ৩ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেবো। আমরা স্থানীয় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারি অফিস, পাঠাগার, ইউনিয়ন ডিজটাল সেন্টার (ইউডিসি) ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবো।"

"টেস্ট রান বা পরীক্ষামূলক ব্যবহার সফল হলে তারা পরিপূর্ণভাবে সেবা দিতে প্রস্তুতি নেবেন। তিনি জানান, টেস্ট রানের সময় কোনও ধরনের সমস্যা আছে কিনা, জটিলতাগুলো কী কী, তা নির্ধারণ করা যাবে এবং পরে তা সমাধান করে নিরবছিন্ন সেবা দেওয়া সম্ভব হবে", যোগ করেন ইমদাদুল হক।

তবে, ২,৭০০ গ্রামে সংযোগের কাজ সম্পন্ন হলেও এখনও গ্রামে গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারিত হয়নি।