• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ দুপুর

বাংলাদেশের পতাকার আদলে তৈরি বিকিনি বিক্রি হচ্ছে অ্যামাজনে!

  • প্রকাশিত ০৫:২১ সন্ধ্যা জুলাই ১৭, ২০১৯
পতাকা
অ্যামাজনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি বিকিনি। ছবি: স্ক্রিনশট

এরমধ্যে নারীদের অন্তর্বাস সবোর্চ্চ ২৭.৯৯ ডলার ও পুরুষের হাফপ্যান্ট সবোর্চ্চ ২১.৯৯ ডলার মূল্য দেখানো হয়েছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন বাংলাদেশের পতাকার আদলে তৈরি বিকিনি, হাফপ্যান্ট বিক্রি করছে। সাইটটিতে প্রবেশ করে সার্চ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে ‘বাংলাদেশ ফ্ল্যাগ’ লিখে সার্চ দিলে নারীদের অন্তর্বাস ও পুরুষের হাফপ্যান্ট বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজ জাতীয় পতাকার অবমাননার পর্যায়ে পড়ে।  

অ্যামাজনে প্রবেশ করে দেখা যায়, আইন্যান্স, লিঙমেই, সেটফ্ল্যাগসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পতাকার আদলে তৈরি অন্তর্বাস ও হাফপ্যান্ট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এসব অর্ন্তবাস ও হাফপ্যান্ট ১৪ থেকে ২৭ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে নারীদের অন্তর্বাস সবোর্চ্চ ২৭.৯৯ ডলার ও পুরুষের হাফপ্যান্ট সবোর্চ্চ ২১.৯৯ ডলার মূল্য দেখানো হয়েছে।  

অ্যামাজনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি পুরুষের হাফপ্যান্ট। ছবি: স্ক্রিনশট

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা-১৯৭২ (সংশোধিত ২০১০)- এ বলা হয়েছে, জাতীয় পতাকাকে পোশাক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, এমনকি গায়েও জড়িয়ে রাখা যাবে না। 

বিধিমালায় আরো বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকাকে ট্রেডমার্ক, ডিজাইন বা পেটেন্ট হিসেবে ব্যবহার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

২০১০ সালের সংশোধিত পতাকা বিধিমালা অনুসারে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকা ও তার নকশা ব্যবহার করে পোশাক তৈরি ও বিপণন দেশের আইনের লঙ্ঘন।   

অ্যামাজনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি বিকিনি। ছবি: স্ক্রিনশট

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্টভিত্তিক ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন বাংলাদেশে সরাসরি ব্যবসা করার জন্য চলতি বছরের ১৭ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে। বৈঠকে সরাসরি ব্যবসার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও বাংলাদেশ থেকে অ্যামাজনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বর্তমানে এই সাইটটি বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট দ্বারা বাংলাদেশে পণ্য বিক্রি করে আসছে।