প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পাওয়ায় বাংলাদেশসহ ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এর প্রশাসনিক জোন ৩ ও ৪-এর আওতাভুক্ত দেশগুলোতে এএস লেভেলের গণিত (৯৭০৯/১২) পরীক্ষা বাতিল করেছে কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিবৃতিতে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল জানায়, প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপকতার কারণে তারা এই পেপারটি চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল নির্ধারণে ব্যবহার করতে পারছে না।
গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষার প্রশ্ন আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ পাওয়ায় আগামী ৯ জুন নতুন প্রশ্নপত্রে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ফল প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ ১১ আগস্ট অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেমব্রিজ। বিকল্প এই পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আগামী ১৫ মের মধ্যে স্কুলগুলোকে বিস্তারিত নির্দেশনা এবং প্রশ্নোত্তর (এফএকিউ) দেওয়া হবে। এজন্য শিক্ষার্থী বা স্কুল কর্তৃপক্ষকে কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্কুলগুলোর হতাশা ও উদ্বেগ তারা বুঝতে পারছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছে কেমব্রিজ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। গোপন পরীক্ষাসামগ্রী ফাঁস বা অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারসহ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কেমব্রিজের তথ্যমতে, এই সিদ্ধান্তের আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে। এ ছাড়া কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ার কিছু অংশ, লাওস, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামেও একই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।