সুনামগঞ্জের ছাতকে তরুণী গণধর্ষণ মামলার ঘটনায় ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা আসামিরা হলেন- ছাতক উপজেলার ভাতাগাঁও ইউনিয়নের হাসামপুর গ্রামের মতিউর রহামান মতিন ও একই গ্রামের দিলদার হোসেন। এ ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও ছাতক উপজেলার সিংচাপইর ইউনিয়নের কামারগাও গ্রামের বিল্লাল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করে আদালত।
সোমবার (১৮ মে) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১১ আগস্ট ওই তরুণী বাবার বাড়ি থেকে পাশের গ্রামের নানা বাড়ি যাওয়ার পথে হাসামপুর পয়েন্ট এলাকার নির্জন স্থানে একা পেয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মতিউর রহমান মতিন ও দিলদার হোসেন তরুণীকে হাওদা বিলে নিয়ে যায়। বিলেরপাড় থেকে নৌকা করে ছাতক উপজেলার সিংচাপইর ইউনিয়নের হাবিপুর গ্রামের মতিউর রহমানের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মতিউর রহমানের চাচাতো বোনজামাই আব্দুল হামিদের ঘরে আটক করে মতিউর রহমান ও দিলদার হোসেন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
পরে তরুণীকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে একই ইউনিয়েনের কামারগাও গ্রামের দন্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যায়। বিল্লাল হোসেন তরুণীকে তার রান্না ঘরে আটকে রেখে জোরর্পূবক ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ১২ আগস্ট ২০২১ সালে ভুক্তভোগী ওই তরুণীর ভাই বাদী হলে ছাতক থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার ২ আসামি রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির থাকলেও বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছেন। আর ১জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।