লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় চার বাংলাদেশি আহত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। এই হামলায় গুরুতর আহতদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দক্ষিণ লেবাননের নাভানিয়া এলাকায় একটি আবাসিক লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র থেকে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও দুইজন শিশু ছিল। আহত ব্যক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মোমিন মিয়া এবং নারী নরসিংদীর জয়েনা আক্তার। বিস্ফোরণে ওই নারী পা হারান। তবে শিশুদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দূতাবাস তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। আহতদের নাবাতিহের রাগেব হার্ব হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পরে তাদের সাইদায় স্থানান্তর করা হবে।

এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলে চালানো ইসরায়েলি হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয় জন সদস্য রয়েছেন। তারা ভোরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আদলুন মহাসড়ক দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি ড্রোন হামলার শিকার হন। 

এছাড়া তিন সপ্তাহ পর প্রথমবারের মতো দক্ষিণ বৈরুতেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। সেখানকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে চালানো ওই হামলাকে ইসরায়েলি গণমাধ্যম মূলত একটি হত্যাচেষ্টা বলে উল্লেখ করেছে। তবে এই অভিযানের বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ বৈরুতে হিজবুল্লাহর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে এবং এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বৈরুত রাজধানীতে হামলা না চালানোর জন্য ইসরায়েলকে চাপ দিয়েছিল বলে জানা গেছে। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলাগুলো চলমান শান্তি আলোচনাকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।