লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে দায়ের কোপে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।
আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন - হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ। এর মধ্যে রুহুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থা রংপুরের বেসরকারি ডক্টরস ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। রাতে গোপন খবর পেয়ে রাশেদুলকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযানে যান এসআই রুহুল ও এএসআই লতিফ।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, “গ্রেপ্তার এড়াতে রাশেদুল ধারালো দা দিয়ে পুলিশকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কব্জিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলায় এএসআই লতিফও জখম হন। ঘটনার পরপর রাশেদুল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।”
খবর পেয়ে থানা থেকে আরও পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুলকে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য শনিবার (২৭ জুন) সকালে তাকে রংপুরের ডক্টরস ক্লিনিকে (রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়া হয়।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, “আহতদের মধ্যে এসআই রুহুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা তাদের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি।”
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং হামলাকারীকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।