উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার কয়েকটি নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারেজের সবকটি প্রয়োজনীয় জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.১৪ মিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বেড়ে লালমনিরহাট সদর আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
আদীতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের বাসিন্দা শামসুল হক বলেন, “তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।”
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, “মূলত উজানের ঢল এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণেই তিস্তা ও ধরলায় বন্যার সৃষ্টি হয়। আজ সকাল ৯টা থেকেই তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং বৃষ্টির কারণে পানির মাত্রা ওঠানামা করছে।”