বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের ফেরার আর সম্ভাবনা নেই৷
বুধবার (৫ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন৷ শ্রীলঙ্কা থেকে ভার্চুয়ালি সাকিবও যুক্ত হয়েছিলেন সেই অনুষ্ঠানে৷ তারপর এক সাক্ষাৎকারে সরকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে শ্রীলঙ্কায় আসা তারকা ক্রিকেটার৷
শুক্রবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এক বিবৃতিতে বলেন, সরকার আগে সাকিবের বিষয়ে কিছুটা নমনীয় ও সহনশীল মনোভাব দেখিয়েছিল৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা বিষয়টি বেশ নমনীয়তা ও সহনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করছিলাম৷ কিন্তু এরপর আর সেভাবে ভাবার কোনো অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না৷''
বিবৃতিতে বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার আমিনুল আরো বলেন,‘‘যিনি স্বৈরাচারের সঙ্গে একই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন, তার ফেরার আর কোনো সুযোগ নেই৷''
শ্রীলঙ্কা থেকে ফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, তিনি এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা ডিসেম্বরে স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন৷
একই দিনে, অর্থাৎ শুক্রবারই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘‘সরকারের কাছ থেকে যদি আমার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাই, তাহলে ফিরে যেতে এবং আদালতের মুখোমুখি হতে, অর্থাৎ যা কিছু করা প্রয়োজন তার সবটুকুই করতে প্রস্তুত৷'' শ্রীলঙ্কা থেকে ফোনে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার দাবি করেন, ‘‘আমি কোনো অন্যায় করিনি৷''
রয়টার্সকে সাকিব জানান, তিনি এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা ডিসেম্বরে স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন৷ সাকিব জানান, তিনি অবিলম্বে দেশে ফিরতে চান, তবে তা সম্ভব না হলে শেখ হাসিনার সঙ্গেই দেশে ফেরার চেষ্টা করবেন৷
সাকিব আল হাসান বলেন, ‘‘নেত্রী (শেখ হাসিনা) যা বলেন, আমরা তা-ই মেনে চলি৷''
তিনি আরো বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, তারাই এ বিষয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেবেন এবং আমাদের যে নির্দেশনা দেওয়া হবে, আমরা তা পালন করবো৷''