বাংলাদেশের রুনা খান পেলেন র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার

এশিয়ার নোবেল খ্যাত র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান। চতুর্দশ ব্যক্তি হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করলেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশের দুর্গম ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলার সুযোগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে রুনার খানের প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ। নদীভাঙন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ভাসমান হাসপাতালসহ নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সংস্থাটির ভূমিকা রয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের মানুষের জন্য সংস্থাটির কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘আর্থশট প্রাইজ’ লাভ করে ফ্রেন্ডশিপ।

এবার আরও দুই ব্যক্তি এই পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন, সিঙ্গাপুরের টমি কোহ ও মিয়ানমারের বো চি।

যেভাবে এলো পুরস্কারটি

ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসেসের নামে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছে। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর পর একই বছর প্রতিষ্ঠিত হয় র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৮ সালে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

প্রতিবছর ৩১ আগস্ট র‍্যামন ম্যাগসেসের জন্মদিনে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারকে প্রায়ই ‘এশিয়ার নোবেল’ বলা হয়। মানব উন্নয়নের বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, সামাজিক পরিবর্তন এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

সবশেষ ২০২৩ সালে জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ এ পুরস্কার পান।