সাভারে তরুণী ধর্ষণ: সহযোগিতার অভিযোগে গৃহবধূ গ্রেপ্তার

ঢাকার সাভারে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে শীলা বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে একই মামলায় মূল অভিযুক্ত বাসচালক নয়ন মণ্ডলকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়।

ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ২৫ বছর বয়সী ভুক্তভোগী তরুণী সাভার মডেল থানায় নয়ন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং শীলা বেগমের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই গতকাল রাত ৮টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে ভাকুর্তা ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শীলা বেগমকে। দুজনকেই আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ডিগ্রি পরীক্ষা শেষে কিছুদিন আগে কাজের সন্ধানে গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর থেকে সাভারে আসেন ভুক্তভোগী তরুণী। কাজ না পেয়ে আমিনবাজার এলাকার মধুমতী মডেল টাউনে ঘোরাঘুরির সময় শীলা বেগম তার স্বামীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। থাকার জায়গা না থাকায় এই দম্পতি তাকে নিজেদের বাসায় থাকার প্রস্তাব দেন, যা বিশ্বাস করে তিনি তাদের ভাড়া বাসায় ওঠেন।

গত ৩০ আগস্ট রাতে ইমরান বাসায় না থাকায় ভুক্তভোগী তরুণী শীলার সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে এগারোটার দিকে একই বাসার অপর ভাড়াটিয়া নয়ন কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন, আর শীলা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ভয়ভীতি দেখিয়ে শীলার সহযোগিতায় নয়ন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ করলে তাকে খারাপভাবে উপস্থাপন করা হবে বলে শীলা তাকে হুমকিও দেন।

পরে বাসায় ফিরে ভুক্তভোগী তরুণীকে কান্নারত দেখে বিষয়টি জানতে চান ইমরান। পুরো ঘটনা শোনার পর তিনি তরুণীকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।