অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ দিন আদালতে তার জামিনের আবেদন করেন সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দিন। তবে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি বলে জানা গেছে।
২০২১ সালের ৭ মার্চ বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ।
২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মোহাম্মদ সাহেদ ও তার স্ত্রী সাদিয়া আরবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াতুল ইসলাম।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব দেন সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী।
যদিও যাচাই-বাছাই ও তদন্তে মোট ৭৬ লাখ ২৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদ পাওয়া যায় তার নামে। অর্থাৎ ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দেন।
দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন সাহেদ। গত ২০ জুলাই তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ৩৫টির বেশি মামলা রয়েছে।