উজানে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও প্রায় কাছাকাছি অবস্থান দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজের ৩১টি গেটের সবগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমা হচ্ছে ৫২.১৫ সেন্টিমিটার। এখন প্রবাহিত হচ্ছে ৫১.৯৭ সেন্টিমিটার। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কন্ট্রোল রুম সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের বেশ কয়েকটি নদী সংলগ্ন চরাঞ্চলে অন্তত শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হবার আশংকা করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড চরাঞ্চলের মানুষকে অনত্র সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলেছে।
অপরদিকে, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, কাউনিয়ায় বিপৎসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা হচ্ছে ২৯.৩১ সেন্টিমিটার। এখন প্রবাহিত হচ্ছে ২৮.৭৪ সেন্টিমিটার।
এদিকে, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রশাসন দুর্গম চরাঞ্চলের ২৫টি গ্রামের ৩০ হাজার অধিবাসীকে সাবধানে থাকতে এবং নিরাপদ স্থানে সরে যাবার জন্য প্রস্তুত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী হাফিজুল হক জানান, উজানে প্রচুর পরিমাণ বৃষ্টি হওয়ায় এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানের ঢল আসা অব্যাহত থাকলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।