টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজসহ তার পরিবারের ৬ সদস্য নিহত

কক্সবাজারের ইনানী বিচসংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীসহ তাদের পরিবারের ৬ সদস্য নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাটুয়ারটেক এলাকার রিসোর্টটিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত নাফিস তেহামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ৫ম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় নাফিজের বোন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাবিলাও নিহত হন। নাবিলা বিশ্ববিদ্যালয়টির রসায়ন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

নাফিজ তেহামীর পরিবারের নিহত অন্য সদস্যরা হলেন, নাফিজ তেহামীর বোন মেলিতা মেহেজাবিন আলভি, লায়লা জাহান নাবিলা, মালিহা মিলা, সাবরিন ও শিশু ফাইজান আহাম্মেদ। নাফিজ তেহামীসহ পরিবারের নয়জন ওই রিসোর্টে ছিলেন। তাদের ছয়জন অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন।

নিহত ঢাবি শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামী ও নাবিলার বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী থানার দক্ষিণ চুনাখালী গ্রামে। 

নাফিজ তেহামীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। 

এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, “এ ধরনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখের ও বেদনার। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোকাহত।”

এসময় তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উপাচার্য অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করে অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে বলেন, “এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহত পরিবারের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।”

 এ ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ১০ পর্যটকের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।