ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে ১৪ বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে সরাইল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামরার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর (বুধবার) রাত আনুমানিক ৯টার ওই শিশুটি ওয়াজ শোনার জন্য নিজ বাড়ি থেকে রওনা দেয়। এসময় একটি নির্জন স্থানে পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ধর্ষণ করে। অভিযুক্তদের উপর্যুপরি ধর্ষণের ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং একপর্যায়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলার ৫ নম্বর আসামি শিশুটিকে তার বাড়ির পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। 

এসময় শিশুটির কান্না শুনে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

কিছুদিন পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন করেন। ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক গোপা পাল জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েটির চিকিৎসা করছি।

“আমরা ওই শিশুর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি।”

মামলার অভিযোগে বাদী শিশুটির মা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পুলিশের নিকট জোর দাবি জানান।

এদিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া জনান, মামলার অভিযুক্ত ৬নং আসামি বাহার মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।