আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করার সময়সীমা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের জন্ম ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার আগে এবং ওই সময়ের মধ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন, তাঁরাই আসন্ন নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। আগামী ২৫ নভেম্বর হালনাগাদ করা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের ইসি সংক্রান্ত পৃথক দুটি নির্দেশনায় এ তথ্য নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতার ক্ষেত্রে ভোটার এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রার্থী হতে হলে তাকে অবশ্যই ওই নির্দিষ্ট এলাকার তালিকাভুক্ত ভোটার হতে হবে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪ নভেম্বরের মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত করে মাঠপর্যায়ে তথ্য পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরদিন ৫ নভেম্বর হালনাগাদ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত খসড়া তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি, তথ্যের ভুলত্রুটি সংশোধন বা যে কোনো দাবি-আপত্তির আবেদন ২০ নভেম্বর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ নভেম্বর। সব প্রক্রিয়া শেষে ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
প্রকাশিত খসড়া তালিকায় পুরুষ ও নারীর তালিকা অদলবদল বা ধর্মসংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের তাগিদ দিয়েছে ইসি। জনসাধারণের সুবিধার্থে খসড়া তালিকা উন্মুক্ত রাখার পাশাপাশি বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য স্থানীয় মসজিদ ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে ঘোষণা, স্থানীয় সাংবাদিক এবং কেবল অপারেটরদের মাধ্যমে জনস্বার্থে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশনায়।
অন্য এক নির্দেশনায় ইসি স্পষ্ট করেছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং পাওয়া আবেদনগুলো আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব উপজেলা, থানা ও রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তাদের।