ফুটবলারদের ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হলো ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সালে প্রবর্তিত এই পুরস্কার জেতার স্বপ্ন বিশ্বের প্রতিটি ফুটবলারই দেখেন। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই অভাবনীয় নৈপুণ্য দেখিয়ে অল্প বয়সে এই সম্মান অর্জনের বিরল কীর্তি গড়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন ফুটবলার। ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অবিসংবাদিত রেকর্ডটি ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিওর দখলে।
সর্বকালের সেরা কম বয়সি ব্যালন ডি’অর জয়ীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা:
রোনালদো নাজারিও (ব্রাজিল): ১৯৯৭ সালে মাত্র ২১ বছর ৯২ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। বার্সেলোনার জার্সিতে ক্লাব ফুটবলে চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সে বছর ব্রাজিলের হয়ে কোপা আমেরিকা জয়েও অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। তার এই রেকর্ড আজও অক্ষত রয়েছে।
মাইকেল ওয়েন (ইংল্যান্ড): তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লিভারপুলের সাবেক ইংলিশ স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন। ২০০১ সালে ২২ বছর ৪ দিন বয়সে এই পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। ওই বছর লিভারপুলকে এফএ কাপ, লিগ কাপ ও উয়েফা কাপ জেতানোর পেছনে তার অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): বিশ্ব ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি রয়েছেন তৃতীয় অবস্থানে। ২০০৯ সালে মাত্র ২২ বছর ১৬০ দিন বয়সে ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন তিনি। বার্সেলোনার ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ে (চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগা ও কোপা দেল রে) প্রধান সারির ভূমিকা পালনের পর পরবর্তীতে রেকর্ড আটবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
জর্জ বেস্ট (উত্তর আয়ারল্যান্ড): ১৯৬৮ সালে ২২ বছর ২১২ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জিতে চতুর্থ স্থানটি দখল করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি জর্জ বেস্ট। সে বছর ম্যানইউর প্রথম ইউরোপিয়ান কাপ জয়ে তিনি রেখেছিলেন জাদুকরী অবদান।
ওলেগ ব্লোখিন (সোভিয়েত ইউনিয়ন): তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ওলেগ ব্লোখিন। ১৯৭৫ সালে ২৩ বছর ৫৫ দিন বয়সে ডায়নামো কিয়েভের হয়ে পারফর্ম করে ব্যালন ডি’অর জেতেন তিনি। ক্লাবটির হয়ে সোভিয়েত লিগ এবং ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল তার।