‘গ্রাহকের টাকা ফেরত দিলে ই-কমার্সে আস্থা ফিরবে’

গ্রাহকের টাকা ফেরত দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা শুরু করলে সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় ফিরতে পারবে বলে মনে করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

তিনি বলেন, “যে সকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে লুকিয়ে থাকবে তারা মার্চের পরে আর পারবে না। এই তথ্যটা সবার মাধ্যমে জানাতে চাই।”

বুধবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দালাল প্লাস, বাংলাদেশ ডিল এবং আনন্দ বাজারের প্রতারিত গ্রাহকদের আটকে থাকা টাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সফিকুজ্জামান বলেন, “যারা অফিস বন্ধ করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তারা গ্রাহকের টাকা শোধ করে ব্যাবসায় আসলে আস্থার জায়গায় ফিরে আসবে। আজকে দালাল প্লাসের ১০ জন গ্রাহককে ৯ লাখ সাত হাজার ৪৬৩ টাকা, বাংলাদেশ ডিলের ১০ গ্রাহককে পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯ টাকা এবং আনন্দের বাজার ১০ গ্রাহককে ৬ লাখ ৫ হাজার ৬৪৩ টাকা দেওয়া হয়েছে।”

এছাড়া আমরা আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানের টাকা ফেরতের কার্যক্রম গুছিয়ে এনেছি। আগামী সপ্তাহে আবার বসে শ্রেষ্ঠ.কম, আলিফ ওয়ার্ল্ড, ধামাকার টাকাগুলো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফেরত দিতে পারব। তাহলে সবমিলে ১১টি প্রতিষ্ঠান এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আসবে।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, “কিউকমের এখন পর্যন্ত ২৩ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তাদের টাকা সেটেল হয়ে গেছে, ফস্টারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দু'একদিনের মধ্যে আরও ৩৫ কোটি টাকা চলে যাবে। তাহলে কিউকমের ৬০ কোটি টাকার মধ্যে ৫৭ কোটি টাকার মতো পরিশোধ হয়ে যাবে, বাকি কিছু থাকতে পারে। তাদের ১০০ কোটি টাকার প্রোডাক্ট আছে সেগুলোও প্রক্রিয়া করা যাবে।

তিনি জানান, দেশে ই-কমার্সের ২৪ টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কমপক্ষ ১১০ টি মামলা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫০০ কোটি টাকা বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে আছে। এরমধ্যে ১০ থেকে ১১টি প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারমধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠানের টাকা গ্রাহকদের ফেরত দেওয়ায় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।