আগামী এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাহাজ ভিড়বে পায়রা বন্দরে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে বন্দরের প্রথম টার্মিনালটি।
বুধবার (২২ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাগুলোর ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত জিওবি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব মোস্তফা কামাল, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম সোহায়েলসহ সংস্থা প্রধানরা সরাসরি ও অনলাইনে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের কাজ ২৬ মার্চ সম্পন্ন হবে। তখন পোর্টটি আরও বেশি ভায়াবল হবে। বড় বড় জাহাজ আসবে। ইনার ও আউটারবারে মার্কিং, বয়াবাতি বসানো হয়েছে। ইনারবারে ১৫টি জাহাজ রাখা যাবে।
তিনি জানান, ১০ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের (গভীরতা) এবং ২২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ আসবে। এ সপ্তাহের মধ্যে সাতটি জাহাজ আসবে। “সেখানে লোডিং আনলোডিং কার্যক্রম চলবে। পায়রা বন্দরের জন্য অধিগ্রহণ করা চার হাজার ২০০টি পরিবারকে ২৩টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাটি দিয়ে এক হাজার একর জমি ভরাট করা হয়েছে।”
বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজগুলো শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
২০১৬ সালের আগস্টে পায়রা বন্দর চালু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১,৪০০টি দেশী ও বিদেশী জাহাজ আনলোড করা হয়েছে (জাহাজ থেকে জাহাজ), কর্মকর্তাদের মতে।
এর মধ্যে ২৯৬টি বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজ তাদের মালামাল বহির্নোঙরে ছেড়ে দিয়েছে, যা সরকারের জন্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বয়ে এনেছে।
২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা বন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।