নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে আবারও মেয়রপদে মনোনয়ন পেলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মনোনীত হলেন মেয়র আইভী।
মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে নিজ বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী, দলীয় নেতাকর্মী ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
সাংবাদিকদের মেয়র আইভী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে। তৃণমূলের আশা ছিলো নেত্রী আমাদের হতাশ করবে না। নারায়ণগঞ্জবাসীর হৃদয়ের স্পন্দন শুনে বরাবরের মত নৌকা প্রার্থীর হাতেই তুলে দিবেন। উনি যোগ্য মনে করেছেন বলেই দিয়েছেন। আশা করি ১৬ জানুয়ারি আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছরের বিজয়ের মাসে আমাদের আরও একটি বিজয় নিশ্চিত দিতে পারব।
এদিকে কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই শহরে আনন্দ মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
এর আগে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দন শীল দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
জানা যায়, ২০০৩ সাল থেকে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন হওয়ার পর ২০১১ সালে নির্দলীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান সাংসদ শামীম ওসমানকে ১ লাখ ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন আইভী। তিনিই বাংলাদেশের কোনো সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নারী মেয়র। এরপর ২০১৬ সালে নৌকা হতে মনোনয়ন পেয়ে আবারও আওয়ামী লীগ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে জয়লাভ করেন মেয়র আইভী।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। আইন অনুযায়ী নির্বাচিত করপোরেশনের মেয়াদকাল হচ্ছে প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটির পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে। আর এ মেয়াদপূর্ণের ১৮০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।